কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের উলিপুরের হাতিয়া ইউনিয়নে শীতার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে বরাবরের মতোই মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে ডা. বাবর উদ্দীন সরকার ফাউন্ডেশন।
ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মর্তুজা মুকুলের উদ্যোগে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এক হাজার পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।
দিঘল হাইল্যা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাওলানা আব্দুল লতিফের সঞ্চালনা ও এটিএম জহিরুল ইসলাম (তারা মাস্টার) এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মর্তুজা মুকুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানুষের কল্যাণে আমাদের এই মানবিক যাত্রা থেমে থাকবে না। আমরা চাই কেউ যেন অভাবের তীব্রতায় কষ্ট না পায়, বিশেষ করে শীতের সময় যেন কোনো পরিবার ঠান্ডায় কাঁপতে না হয়। সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসে, তাহলে শুধু শীতেই নয়, সারা বছরই আমরা অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারব। মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের বড় শক্তি, আর এ দায়িত্ব আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করে যাব।”
শীতবস্ত্র হাতে পেয়ে সুবিধাভোগীরা গভীর সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনেকেই জানান, কঠোর শীতে এমন সহযোগিতা তাদের জন্য বড় সহায়তা। শীতবস্ত্র পেয়ে তাদের মুখে ফেরে স্বস্তির হাসি। পরে মুনাজাতে সকলের কল্যাণ, শান্তি ও সুস্থতার জন্য বিশেষ প্রার্থনা এবং দোয়ার অনুষ্ঠিত হয়।
দিঘল হাইল্যা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাওলানা আব্দুল লতিফের সঞ্চালনা ও এটিএম জহিরুল ইসলাম (তারা মাস্টার) এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মর্তুজা মুকুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানুষের কল্যাণে আমাদের এই মানবিক যাত্রা থেমে থাকবে না। আমরা চাই কেউ যেন অভাবের তীব্রতায় কষ্ট না পায়, বিশেষ করে শীতের সময় যেন কোনো পরিবার ঠান্ডায় কাঁপতে না হয়। সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসে, তাহলে শুধু শীতেই নয়, সারা বছরই আমরা অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারব। মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের বড় শক্তি, আর এ দায়িত্ব আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করে যাব।”
শীতবস্ত্র হাতে পেয়ে সুবিধাভোগীরা গভীর সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনেকেই জানান, কঠোর শীতে এমন সহযোগিতা তাদের জন্য বড় সহায়তা। শীতবস্ত্র পেয়ে তাদের মুখে ফেরে স্বস্তির হাসি। পরে মুনাজাতে সকলের কল্যাণ, শান্তি ও সুস্থতার জন্য বিশেষ প্রার্থনা এবং দোয়ার অনুষ্ঠিত হয়।
