মুহাম্মদ আলী,স্টাফ রিপোর্টার:
বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়ন এর কাইচতলী ও তুলাতলী রামদাখাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লি: এর প্রায় ২২০ জন সদস্য রয়েছে। অত্র সমিতির মাধ্যমে বান্দরবান জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী এলজি ইডি মাধ্যমে রামদাখালের উপর দুটি ডাব্লিআর এস এবং সমিতির অফিস ঘর নির্মাণ করার প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়ার পর থেকে উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার দরিদ্র নারীদের সেলাই মেশিনের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া নারীদের মাঝে ১৫ টি সেলাই মেশিন দেওয়া হয়েছে এবং সমিতির প্রায় ১০০ জন পুরুষ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের মাঝে কৃষি,মৎস্য, গবাদি পশু দেওয়া হয়েছে সেই সাথে সচেতন বিষয়ের উপরও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রধান করা হয়েছে।
অত্র এলাকার ও বাইরের কিছু আওয়ামী লীগের দোসর এলজিইডি কতৃক প্রকল্প না করার জন্য বিভিন্ন সময় সমিতি ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কে বাঁধা প্রদান করে আসছে সেই সাথে সমিতি ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নিকট চাঁদা দাবি করে বলে জানান ঠিকাদার ও অত্র এলাকার জনসাধারণ।
সমিতি ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার চাঁদা না দেওয়ার কারণে কাজ বন্ধের জন্য তারা বিভিন্ন সময় উক্ত প্রকল্পের বিরুদ্ধে বহিরাগত ভাড়া করা লোকজন নিয়ে প্রকল্পের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেন বলে জানা গেছে। যা বিভিন্ন অনলাইন ও পত্রিকায় নিউজ করা হয়েছে।
সমিতির লোকজন জানান প্রশাসন এবং সংবাদ কর্মীদের মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেন।প্রকল্প বিরোধীরা বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন করবে বলে মাইকিং করলে অত্র এলাকার লোকজন মাইকিং করার কারণে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে এবং যেকোনো সময় আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন এলাকার জনসাধারণ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সচেতন নাগরিক সমাজ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে এলাকায় ষড়যন্ত্রকারী তথা আওয়ামী ফ্যাসিষ্টদের দোসর কতৃক চাঁদাদাবী ও উন্নয়ন কাজে বাঁধা প্রদান কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ সহ দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি প্রদান করার আহ্বান জানান বান্দরবান সুয়ালক ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো: জসিম উদ্দিন মেম্বার। এছাড়াও মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন সুয়ালক কাইচতলী তুলাতুলি বাজার মসজিদের খতিব ডা. হাফেজ মাওলানা আজিজুর রহমান, এলাকার সিনিয়র সিটিজেন আমিনুল হক, মো: আলমগীর, মো: মুন্নাহ, আহমদ উল্লাহ মো: সেলিম, খোরশেদ প্রমুখ।
