নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঝড়ের নাম ‘ফেনী না ফণী’ এ নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে, আহত হয়েছেন ৯ জন। ভারতের মধ্য প্রদেশের রামপুরা শহরে এক চায়ের দোকানে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
ঝড়ের নাম সঠিক কী? ফেনী? না ফণী? এই তর্ক করতে করতে দুই ভাগ হয়ে যায় চায়ের দোকানের লোকজন। তারপর তর্ক বাড়তে থাকে, এক পর্যায়ে বেঁধে যায় সংঘর্ষ। এতে অন্তত ৯ যুবক আহত হয়।
এদিকে এই যুবকেরা যখন অহেতুক ব্যাপার নিয়ে সংঘর্ষ করছে, তখন ভারতে আঘাত হেনেছে ফণী।
ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে ভারতের ওড়িশা রাজ্যে ৬ ব্যক্তির নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৩ মে) এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
ওড়িশার এই ত্রাণ কর্মকর্তা জানান, ঘূর্ণিঝড় ফণী চলাকালে এক বয়স্ক ব্যক্তি একটি আশ্রয়শিবিরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আরেক ব্যক্তি সতর্কতা উপেক্ষা করে ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে বাইরে যান। তাঁর ওপর গাছ পড়লে তিনি নিহত হন। গাছের নিচে চাপাপড়া ওই কিশোরের বাড়ি পুরীতে। এছাড়া নৈয়াগড়ে নির্মাণাধীন একটি স্থাপনা থেকে ইট পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে ওড়িশায় শত শত গাছ উপড়ে গেছে। বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় রাজ্যের বেশির ভাগ অংশ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে ঘূর্ণিঝড় ফণী তীর্থ নগরী পুরীর ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে গোপালপুর আর চাঁদবালির মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করে।
ওই সময় বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৭৫ থেকে ১৮৫ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৯৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করার পর ঘূর্ণিঝড়টি এখন পশ্চিমবঙ্গের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আগেই ওড়িশা উপকূল থেকে প্রায় ১১ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
