নাগেশ্বরীতে বিজয় দিবসেও পতাকা উত্তোলন করা হয়নি বিভিন্ন সরকারি অফিসে

স্টাফ রিপোর্টারশ

বিজয় দিবসেও কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে পতাকা উত্তোলন করেনি কয়েকটি সরকারি অফিস। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে মহান বিজয়ের পতাকা অর্জন করলেও ১৬ ডিসেম্বর জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন বিজয়ের দিনেই বিজয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। এ নিয়ে সুধিমহলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা চত্বরে ঘুরে দেখা গেছে উপজেলা নির্বাচন অফিস, প্রকৌশল অফিস, কৃষি অফিসে পতাকা উত্তোলন করেনি অফিস কর্তৃপক্ষ। সকাল থেকে এ রিপোর্ট লেখা (দুপুর ১টা) পর্যন্ত দেখা গেছে এমন চিত্র। সরাকারি প্রতিষ্ঠানে এভাবে পতাকা তোলার আলাদা নিয়ম আছে কি না এ নিয়ে প্রশ্ন এখন সচেতন মহলে। এসব প্রতিষ্ঠানে পতাকা না তোলায় শহিদদের প্রতি এবং দেশের পতাকাকে অবমাননা করা হয়েছে বলেও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন অনেকে।
এ ব্যাপারে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান বীরবল বলেন, যদি পতাকা উত্তোলন না করে থাকে তবে নিউজ করে দেন। কেননা সরকারি প্রতিষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন না করা একটি অপরাধ এবং এটি দেশেকে এবং পতাকাকে অবজ্ঞা করা হয়েছে। তবে সরকারিভাবে একত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলন করলে অন্য অফিসে পতাকা উত্তোলন করার নিয়ম আছে কি না আমার জানা নাই।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের স্ট্যান্ড নেই। ডিজাইন করতে দেয়া হয়েছে। আগামী মার্চের মধ্যেই পাওয়া যাবে আশা করি। আর স্ট্যান্ড না থাকায় পতাকা তোলা হয়নি।
উপজেলা কৃষি অফিসার রাজেন্দ্রনাথ রায় বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি পতাকা উত্তোলন করেছি। তাই আর পতাকা উত্তোলন করার প্রয়োজন নেই।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর আহমেদ মাছুম বলেন, ওইসব অফিসের স্ট্যান্ড না থাকায় তারা পতাকা উত্তোলন করেনি। আর যেহেতু আনুষ্ঠানিকভাবে সব অফিসার মিলে পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে সেহেতু অন্যান্য নিজ নিজ অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করার প্রয়োজন নাই। তবে অনানুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করতে পারবে আবার পতাকা না তুললে পতাকাকে অবজ্ঞা করা বা এটি নিয়মের পরিপন্থি কি না এমন পরিপত্র আমার কাছে নাই।

Share Button