ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে হাঁসের দাম কমে যাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে বিক্রেতারা। আব্দুস সোবহান উপজেলার সোনাহাট ইউনিয়নের গনাইরকুটি গ্রাম থেকে ৫টি হাঁস নিয়ে এসেছেন ভূর“ঙ্গামারী হাটে বিক্রি করার জন্য। দুই ঘন্টারও বেশি সময় ধরে বসে আছেন কিন্তু বিক্রি করতে পারছেন না। যেন ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়েছে ভূর“ঙ্গামারীর হাঁস হাটি। খোচা বাড়ী চর থেকে হাঁস বিক্রি করতে এসেছেন বাছেদ । তিনি জানান বেশ কিছু দিন থেকে করোনা ও বন্যার কারণে হাতে কাজ নেই । ৩টি হাঁস ছিল তা বিক্রি করার জন্য হাটে নিয়ে এসেছি। কিন্তু হাঁসের আশানুর“প দাম বলছেন না কোন ক্রেতা। ইতিপূর্বে যে একটি হাঁসের দাম ছিল ৩৫০ থেকে ৪০০টাকা। এখন একটি হাঁসের দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ২.৩০ মিনিটে ভূর“ঙ্গামারী হাটে গিয়ে দেখা গেছে হাঁস বিক্রির জন্য সারি সারি লাইন করে বসে আছেন আরো অনেক হাঁস বিক্রেতা কিন্তু ক্রেতার তেমন উপস্থিতি নেই। উপজেলার পশ্চিম ছাট গোপালপুর গ্রামের জহুর“ল ইসলাম জানান, তার নিজের হাঁসের একটি ছোট খামার আছে । এ ছাড়াও গ্রাম থেকে হাঁসের ডিম কিনে বাচ্চা ফুটিয়ে বাজারে বিক্রি করেন। প্রতি হাটে ৪০ থেকে ৫০টি বাচ্চা বিক্রি হয়। আজ ৩০টি বাচ্ছা নিয়ে হাটে এসেছেন। কিন্তু একটি বাচ্চাও বিক্রি করতে পারেন নাই।
ভূররুঙ্গামারী হাঁস ও মুরগী হাটের খাজনা আদায়ের দায়িত্বে আছেন রফিকুল ইসলাম । তিনি জানান বন্যা শুর“ হওয়ার পর থেকে প্রচুর হাঁস বাজারে উঠছে। চাহিদার তুলনায় সর্বরাহ বেশি থাকায় বাজারে হাঁসের দাম একটু কম।
