ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ঘোড়শাল কমিউনিটি ক্লিনিক কর্মকর্তাদের হাজিরা খাতায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, অফিসিয়াল ভাবে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কমিউনিটি ক্লিনিক খোলা থাকার কথা থাকলেও দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে যেয়েও কাউকে ক্লিনিকে পাওয়া যায়নি । কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার (ঈঐঈচ) দিনেশ বিশ্বাস কে ফোন দিলে তিনি ক্লিনিক থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে ছিলেন, পরে ফোন পেয়ে প্রায় ১ঘন্টা পরে ফিরে আসে। এরপর হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে, হাজিরা খাতা খুজে পেতে তার প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগে। কমিউনিটি ক্লিনিকে দায়িক্তে আছেন তিনজন এর মধ্যে ক্লিনিকে নিয়োগ প্রাপ্ত দিনেশ বিশ্বাস জানান, হেলথ এসিস্টেন্ট (ঐঅ) জাকের হোসেন প্রতি ১মাস পর পর এসে হাজিরা দিয়ে যান। কিন্তু হাজিরা খাতায় প্রতি সপ্তাহেই তার অগ্রিম ¯^া¶র আছে। তিনি ১মাস পর পর এসে হাজিরা দিয়ে গেলেও প্রতি সপ্তাহেই প্রায় তার হাজিরাতে ¯^া¶র দেখা গেছে । ভারপ্রাপ্ত ফ্যামিলি ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন (ঋডঅ) সন্ধ্যা বিশ্বাসের হাজিরাতে কোন নামই নেই। তিনি জানেনই না যে তার হাজিরাতে ¯^া¶র করা লাগে কি না। ঐ কমিউনিটি ক্লিনিকে দায়িত্ত প্রাপ্ত দিনেশ বিশ্বাসের ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন হাজির থাকার কথা থাকলেও গত ৭ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত তার হাজিরা খাতায় কোন ¯^া¶রই নেই অনুপস্থিত দেখা গেছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সদর পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ওয়ালিউর রহমান বলেন, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার (ঈঐঈচ) কর্মকর্তা ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন হাজির থাকতে হবে, হেলথ এসিস্টেন্ট (ঐঅ) কর্মকর্তা সপ্তাহে ১দিন এবং ফ্যামিলি ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন (ঋডঅ) কর্মকর্তা সপ্তাহে ১ দিন হাজির থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, এর ব্যাতিক্রম হওয়ার কোন সুযোগ নেই বিষয়টি আমি তদন্ত করে দেখবো।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন সেলিনা বেগম জানান, কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট সময়ে ক্লিনিকে যেয়ে অবশ্যই হাজিরা খাতাই ¯^া¶র করতে হবে এর ব্যতিক্রম হওয়ার কোন সুযোগ নেই। বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট উপজেলা কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন বলে জানান।
