হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর অবশেষে ৬ষ্ঠ ধাপে পড়লো উপজেলার ভোট। আগামী (২০২২) সালে ৩১শে জানুয়ারী ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। তফশিল ঘোষনার পর থেকেই শুরু হয়েছে ভোটারদের মাঝে ভোটের হাওয়ায়, যেন গরম হয়ে উঠেছে পুরো চিলমারী। উপজেলার ৫ ইউনিয়নে ভোট শুরু হলে ও সিমানা জটিলতার মামলায় আটকে আছে নয়ারহাট ইউনিয়নের ভোট। তফসিল ঘোষনার সাথে সাথে সবার মুখে এখন একই কথা, কারা হবেন নৌকার মাঝি। ইতি মধ্যে বর্ধিত সভা ও করা হয়েছে, তৃণমূলের ভোট নিয়ে প্রার্থী ও বাছাই পর্ব শেষ করছেনে জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগ। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন, ভোটারসহ দলীয় নেতাকর্মীরা। তবে নৌকা মার্কার জয় আনতে পারে এমন প্রার্থী চান তৃণমূল। ইতিমধ্যে তৃণমূলের সিদ্ধান্তের পর লোভিং ও দৌড় ঝাপের মধ্যে রয়েছেন ১৪ প্রার্থী।
জানা গেছে অবশেষে সকল জল্পনার শেষে ৬ষ্ঠ ধাপে পড়লো চিলমারীর ইউপি র্নিবাচন। এ দিকে ইউনিয়ন পরিষদ র্নিবাচনকে সামন রেখে, উপজলো আওয়ামী লীগ ৩ দিনের মধ্যে শেষ করেন ৬ ইউনিয়নের বর্ধিত সভার কাজ। যদি ও নয়ারহাট ইউনিয়নের মধ্যে এখন ভোট নিয়ে নেই কোন ভাবনা। উপজেলা আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ শে ডিসেম্বর নয়ারহাট ও অষ্টমীর চরে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় অষ্টমীর চর ইউনিয়নে একক প্রার্থী হিসাবে নৌকা মার্কার প্রতীকের জন্য নির্বাচিত হন বর্তমান সময়ের চেয়ারম্যান আবু তালেব ফকির। ১১ ডিসেম্বর থানাহাট ও রাণীগঞ্জ এবং ১৩ ডিসেম্বর চিলমারী ও রমনা মডেল ইউনিয়নের বর্ধিত সভা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ। রাণীগঞ্জ ইউনয়িনের মধ্যে ৪ জন প্রার্থীর নাম আসলে তৃণমূলের ভোটে জয় লাভ করেন, বর্তমান চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু। এ ছাড়া ও নৌকা মার্কা পেতে চান আবু সাঈদ হাসান মিঠু, এনামুল হক সরকার ও সাজেদুল ইসলাম (দারোগা)। থানাহাট ইউনিয়নে দুই জনের নাম প্রস্তাব করলে তৃণমুলের ভোটে জয়লাভ করেন বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মিলন। ২৯ ভোট পেয়ে নৌকার জন্য দৌড় ঝাপে আছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারনণ সম্পাদক আবু হানিফা রন্জু। বর্ধিত সভায় চিলমারী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ গওছল হক মন্ডল ছাড়া অন্য প্রার্থী নৌকা মার্কার দাবি করেন, ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম কাজী নৌকা মার্কার জন্য দৌড় ঝাপে আছেন। রমনা মডেল ইউনিয়নে তৃণমূলের ভোটে নৌকা মার্কার প্রার্থী গওছুল আজম জয় লাভ করেন। এছাড়া ও মার্কা হিসাবে নৌকা মার্কা পেতে চান বর্তমান চেয়ারম্যান আজগর আলী, হাবিবুর রহমান, সাজেদুল ইসলাম ও মাহফুজা আক্তার শিল্পী। তৃণমূলে কম ভোট পেলে ও বেশির ভাগ প্রার্থী আশা করেন প্রতীক হিসাবে যেন নৌকা মার্কা পাবেন। আবার অনেকে অভিযোগ করেন বলেন তৃণমূলের মধ্যে, অনেক প্রার্থীর আত্মীয় স্বজন থাকার কারণে অনেকে বেশি ভোট পেয়েছেন। এ ব্যাপারে কথা হলে উপজলো আওয়ামী লীগের (ভারঃ) সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম লিচু, বলেন জেলা আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের সহযোগীতায় সঠিক ভাবে ইউনিয়নের মধ্যে বর্ধিত সভা করা হয়েছে। এবং তৃণমূলের ভোটের মাধ্যমে প্রার্থী যাচাই করা হয়েছে। সকলের জীবন বৃত্তান্ত কেন্দ্রে পাঠানো হবে, কেন্দ্রে থেকে যাকে মার্কা দিতে সিদ্ধান্ত করে দিবে, আমরা তাকে মেনে নিয়ে তার হয়ে সকলেই কাজ করবো।
