গত ১২ অক্টোবর দৈনিক গণকন্ঠ এর ৩ পৃষ্ঠায় ‘লজিক প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন হাবিবুর রহমান হাবিল, চেয়ারম্যান ২ নং শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদ, রৌমারী, কুড়িগ্রাম।
হাবিবুর রহমান হাবিল বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের লজিক প্রকল্প আওতায় শৌলমারী ইউনিয়নে ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে রাস্তা মেরামত, বৃক্ষ ও বাসক পাতার চারা রোপন, গাইডওয়াল ও রিং-কালভার্ড নির্মাণ।
শৌলমারী ইউনিয়নে লজিক ৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে করা হয়েছিল। কিš‘ বন্যায় রাস্তা ও বাসক পাতার চারাসহ রাস্তার বালি মাটি ও গাইডওয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বিশেষ করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৮ নং ওয়ার্ডের টালুয়ার চর থেকে লাল মিয়ার বাড়ি হতে বাদশার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় ৫ফুট মাটি দিয়ে উচুকরণ ও বৃক্ষ রোপন করা হয়েছিল। কিš‘ বন্যার পানির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সরেজমিন কাজগুলো পরিদর্শন করে লজিক প্রকল্পের বিল প্রদান করেন।
একটি কু-চক্রীমহল লজিক পাইলট প্রকল্প বন্ধ করার জন্য সাংবাদিক কে ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করায়। এক্ষেত্রে দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ নেই।
