জনপ্রতিনিধিদের শীর্ষে”ইউপি চেয়ারম্যান! মানবতার সেবায় অন্যরকম দৃষ্টান্ত

 

রুবেল ইসলাম,রংপুরঃ

রংপুর জেলার সদর উপজেলার সদ্যপুস্করিনী
ইউনিয়ন পরিষদের”চেয়ারম্যান সোহেল রানা “যিনি নিজেকে করোনা যুদ্ধে উৎসর্গ করেছেন, এমন মন্তব্য করেছেন অত্র ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা।

বাংলাদেশে যখন অন্যান্য মন্ত্রী,এমপি,উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান, নেতা ও পাতি নেতা যখন ঘরে অবস্থান করছে, ঠিক তখনই নিজেকে তিনি ব্যতিব্যস্ত রেখেছেন করোনা সচেতনতা মূলক কাজে। সূর্য উদয় থেকে শুরু করে মধ্যরাত পযর্ন্ত নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন মানবতার সেবায়। জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে স্থানীয়দের এমন অসংখ্য অলোচনায় শীর্ষে উঠে এসেছে এই চেয়ারম্যানের নাম।

রংপুরের সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন যদি করোনা যুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশে কাউকে পুরস্কৃত করা হয়, তাহলে যেন ‘সোহেল রানা চেয়ারম্যান’কে দেওয়া হয়। যার নাম হবে “করোনা জয় এ্যাওয়ার্ড”।

জানকী ধাপের হাটের স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মোকছেদ আলী, সাজুমিয়া সহ অনেকে জানান, সার্বক্ষণিক তিনি চলমান পরিস্থিতিতে সরকারের দেওয়া সকল সচেতনতা বার্তা গ্রামের সাধারন মানুষকে সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে নিরাপদ দ্রুত বজায় রেখে উদ্বুদ্ধ করছেন।বলা যেতে পারে, তিনি নিজেকে জনগনের সেবার বিলিয়ে দিচ্ছেন।

এছারাও মাধবপুর গ্রামের পলাশ মিয়া, রাজু বলেন, মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও সচেতনতায় আরেক নাম সোহেল রানা চেয়ারম্যান। বর্তমানে তিনি ছাড়া আমাদের গ্রামে এখন পর্যন্ত কেউ তারমত করে খোঁজখবর নেয়নি। সে রংপুর সদর উপজেলায় মানবতার সেবায় অন্যরকম দৃষ্টান্ত স্হাপন করে চলেছেন।

তবে পালিচড়া দোলাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল, ছকপু জানান, মধ্যরাতে নিম্মআয়ের মানুষের ঘরে ঘরে ত্রানের বরাদ্দকৃত খাদ্যদ্রব্য পৌছে দিচ্ছেন তিনি। এছারাও নিজেই জনসাধারণের সচেতনতায় মাইকিং করছেন। মাস্ক, সাবান ইত্যাদি বিতরণ করে বেড়াচ্ছেন।

সদর উপজেলার স্থানীয় পশু ডাক্তার হাসান, সাদ্দাম, সুমন, আনোয়ার হোসেন বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পশুপ্রাণীর দিকেও বিশেষ নজর দিয়েছেন তিনি । শুধু মানুষের সচেতনতায় নয়, সোহেল রানা চেয়ারম্যান তার এলাকার বিভিন্ন খামারের পোষা প্রানী যেমন-গরু, ছাগল, হাসমুরগী ইত্যাদি স্বাস্থ্যসুরুক্ষায় যে কোন সমস্যায় আমাদের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করে থাকেন।

ইউনিয়নের নদীরপাড় ভাটের গাও মিলবাজার এলাকার মনু মিয়া, জিকরুল হোসেন, মুদি দোকানি ভুল্লু, আবুল হোসেন, অটো চালক মোশারফ হোসেনসহ কয়েকজনের সাথে সরেজমিনে কথা বলে জানায়ায়, সোহেল রানা শুধু নিজের পরিবারের কথা চিন্তা না করে ইউনিয়নের মানুষ জনকে নিরাপদে রাখতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর প্রতিশ্রুতি রাখতে ঘরে বসে না থেকে আপদে- বিপদে সবার পাশে সহায়তা হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন । মনে হচ্ছে
সোহেল রানার পরিবার তাকে কোরবানি দিয়েছেন, মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও সচেতনতায় মানবতার সেবার জন্য।

পরিবারিক সুত্রে জানায়ায়,পিতার শিক্ষায় সুশিক্ষিত হয়ে সোহেলরানা ঘরে বসে থাকার জন্য চেয়ারম্যান হননি, হয়েছেন জনগণের সেবা করার জন্য। সর্বদা খোজ খবর রাখছেন তার ইউনিয়ন বাসীর।

নয়াখবর/হাসান/এস

Share Button