হাসানুজ্জামান হাসান,লালমনিরহাটঃ
করোনাভাইরাসের কারণে লালমনিরহাটে অঘোষিত লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এসব কর্মহীন মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডেকে ত্রাণের খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন জেলা প্রশাসক আবু জাফর।
শনিবার(৪এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে জেলার ৫টি উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় কর্মহীন হয়ে পড়া ঘুমন্ত মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌছে দিয়েছেন ত্রাণের খাদ্য সামগ্রী।
এসময় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে ঘরে ঘরে পৌঁছান ত্রাণ সামগ্রী। ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ছিল ১০ কেজি চাল ও ৫ কেজি আলু। এসব খাদ্যসামগ্রী জেলা শহরের আপন পাড়া, আদর্শ পাড়া, তিনদীঘীর পার, নর্থবেঙ্গল মোড়, ৩২ হাজারী, বসুন্ধরা ও ষ্টোরপাড়া এলাকায় বিতরণ করা হয়। সরকারের তরফ থেকে এসব ত্রাণ পেয়ে সন্তষ্টি প্রকাশ করেন সুবিধা ভোগীরা। অনেকেই জেলা প্রশাসকের বিনয়ী আচারনে মুগ্ধ হয়ে ত্রাণের খাদ্য সামগ্রী গ্রহণ করে অপোলক দৃষ্টি তাকিয়ে থাকেন ত্রাণ গ্রহিতা ক্ষুধার্ত ও দুস্থ অসহায় মানুষেরা ।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৬টি দল শহরের বিভিন্ন এলাকায় ৩০০ পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের কাজ করেন।
বাগেরহাটের দরিদ্র মানুষদের জন্য সরকারিভাবে ১০০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দরিদ্র পরিবারগুলোকে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি করে ডাল, তেল, লবণ, পেঁয়াজ ও সাবান পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে লোকজন ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। তারা ঘরে থাকছেন। দরিদ্র মানুষের জন্য সরকার ত্রাণ বরাদ্দ দিয়েছে, তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে দরিদ্র মানুষদের জন্য সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত ২১০ মেট্রিক টন জি আর চাল বিতরণ করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে জেলার পাঁচটি উপজেলায় ১১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এই সামগ্রী নিয়ে কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে অব্যশই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
