মিঠাপুকুর (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুরের মিঠাপুকুরে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এলাকাবাসি ধর্ষক আনারুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে।
সোমবার সন্ধায় ধর্ষণের ঘটনায় আজ মঙ্গলবার ওই ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে থানায় একটি ধর্ষন মামলা করেছেন। পুলিশ ধর্ষিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার আবদুল কুদ্দুস মিয়ার ছেলে আনারুল ইসলাম মিঠাপুকুর উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ধাপ শ্যামপুর গ্রামের ফুলু মিয়ার মেয়েকে ৭/৮ বছর আগে বিয়ে করে। তখন থেকে শ্বশুড়বাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করে আসছে। পেশায় মাছের ব্যবসায়ী আনারুল ইসলাম। তার দুইজন ছেলে মেয়ে রয়েছে।
সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে প্রায় সময় উত্যক্ত করতো। সোমবার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রী পাশের মুদি দোকান থেকে কয়েল নিয়ে বাড়ি ফিরছিল। এসময় ওঁত পেতে থাকা আনারুল ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক টেনে হিঁচড়ে পাশের একটি মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে ইচ্ছার বিরুদ্ধে মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে।
এসময় মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষককে ধরে ফেলে। এরপর স্থানীয় গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। পরে ইউপি চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম দীলিপ থনায় খবর দিয়ে ধর্ষককে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।
মিঠাপুকুর থানার ওসি জাফর আলী বিশ্বাস বলেন, গ্রেফতার আনারুল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা একটি মামলা করেছেন। ধর্ষিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
