মো. শাকিল আহম্মেদ রূপগন্জ, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
স্কুল জীবন শেষ করে যখন এক জন শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হতে যায় তখনি এক জন শিক্ষার্থী কে বড় ধরনের বিপাকে পরতে হয়। জিপিএ কম পাওয়া শিক্ষার্থী তার পছন্দ মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে ইচ্ছুক হলে ও ভর্তি হতে পারে না তখনি এক ধরনের হতাশার সম্মুখীন হতে হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এই সম্পর্কে আরো ভালো করে জানার জন্য একজন প্রতিনিধি হিসাবে আজকে সরকারি মুড়াপাড়া কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানতে পারি তাদের এই হতাশার কারন কী?
এই সময় শিক্ষার্থীরা বলে প্রতিটি ছাত্র- ছাত্রী ই চায় তার পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে আর যখন সেই পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে না পারা যায় তখনি এক বড় ধরনের হতাশার কাজ করে।তখন আবার ভর্তির জন্য অন্য কলেজ কলেজ বাছাই করতে হয়। তখন আবার দেখা যায় আমি আমার এলাকার আশেপাশে কলেজ গুলো তে ভর্তি হওয়ার সুযোগ না পেয়ে অন্য কোন জায়গায় ভর্তি হতে হয়। তখন দেখা যায় আমার কলেজের যাতায়াত খরচ বেড়ে যায় যা আমার লেখা পড়ার ক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টি করে তখন এই অতিরিক্ত খরচ বহন করা হয় তো পরিবারে পক্ষে সম্ভব হয় না তখন দেখা যায় অনেকের লেখা পড়া সেখানেই বন্ধ হয়ে যায়। এই সময়ে পারভেস নামের এক শিক্ষার্থী বলে যেমন দরে আমি রূপগঞ্জে থাকি কিন্তু আমি মুড়াপাড়া কলেজে ভর্তি হলে আমার দৈনিক যাতায়াত ভাড়া লাগবে ২০ টাকা কিন্তু আমি এখানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাইনী আমি আড়াই হাজারে একটি কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছি এখন আমার দৈনিক কলেজে যাতায়াত ভাড়া লাগবে ২০০ টাকা কিন্তু আমার পরিবারে দৈনিক আয় মাত্র ৪০০ টাকা তখন দেখা যায় সব কিছু মিলিয়ে আমার পক্ষ আর লেখা পড়া করা সম্ভব হয়ে না।
