কাব্যের ক্রন্দন
-শফিকুল ইসলাম লিটন
তারাখচিত আকাশ
সমীর বহতা ঐ দিগন্ত
আমার ভালবাসা রচিত দিগন্তমিতালী শালবন।
ভুলতে পারিনিতো প্রেম
ঐ রৌদ্রশুকা’ শিশিরের মতন,
মুছতে পারিনিতো প্রেম
গাঙচিল দিনশেষে মোছে যেভাবে ডানার গন্ধ।
ভালবাসা বর্ণ হয়,
ভালবাসা শব্দ হয় ; হয় বাক্য দিন শেষে রাতে।
হারানো যে সুর তা ঝিঁঝি পোকাও হয়
গহীন রাতে যে সময়ে জোনাকি জ্বলে।
কী অদ্ভুত সে আকৃতি
চিরচেনা সে প্রকৃতি ,
ঘনীভূত মেঘেরা শ্রাবণমনে,
বাদলে ঝরে প্রেম অপরূপ কদম হয়ে।
কোথায় সে সুখ?
বিরহ পাঁচিল ভাঙ্গে,
আঁধারে সুরুজ হাসে,
নীদ ভাঙ্গে পাখির, তীরঘেঁষা কাশবনে!
রোজ ছোটে পথিক এভাবে,
বেচে অশ্রু,
কিনতে পারে নাতো কিছু
বুকের অলিন্দে — হৃদয়ের হাটে ডানে কিবা বামে!
কলমের কালি
অতল সাগর যেন
যেন বিসর্জিত জল
যে জলে পোড়ে সুদিনের সেই প্রেম ও প্রীতি!
ভালবাসার ক্যানভাসে
যে প্রেম আজও হাসে মোনালিসার হাসি,
তাও নাকি তুমি!
কত বলছো প্রতি স্বপনে প্রতিদিন নীদহীন তুমিময় ঘোরে!
তবু,
তবু,মন চেয়ে থাকে শিশিরের পানে,গোধূলির সোনাঝরা রঙে,
অপেক্ষা প্রহর গোনে ধরলা নদীতীরে, শিউলিফোটা রাতে!
এভাবে দিনশেষেও আসে না দিন!
শিশির শুকায়, ধরলাপানি ঘোলা হয়!
রৌদ্রস্নাত দিবা আঁধারের কাঁথা পরে,
শুধু আমার তুমিটা জেগে থাকে
কাব্যের ক্রন্দনে কতক কবিতা হয়ে!
দোয়ালীপাড়া, যাত্রাপুর, কুড়িগ্রাম।
