স্টাফ রিপোর্টার:
তিস্তা চুক্তি সই ও নিজস্ব অর্থায়নে বিজ্ঞানসম্মত ভাবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ নামের একটি সংগঠন। সংগঠনটির আহবানে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার ৭ শতাধিক নদী কর্মী মানববন্ধনে অংশ নেয়।
সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমান, স্টান্ডিং কমিটির সদস্য ডঃ তুহিন ওয়াদুদ,গেরিলা লিডার শফিকুল ইসলাম কানু, বখতিয়ার হোসেন শিশির, মোহাম্মদ আলী,মাহমুদ আলম, মশিউর রহমান। বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য দেন রেজ্জাকুল ইসলাম কায়েদ, নজরুল ইসলাম মোল্লা, ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন,সাজু সরকার,মোস্তাফিজার রহমান,সফিকুল ইসলাম সপু,মাহবুব রহমান,তপন রায়,মাখন লাল প্রমুখ। সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রংপুর মহানগরের সভাপতি সাফিয়ার রহমান, জাসদ মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মাসুদ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রংপুর জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক অশোক সরকার, ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির ডাঃ মফিজুর রহমান, বাংলার চোখের তানভীর আশরাফি।
বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় তিস্তা চুক্তি ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বিষয়ক সবকিছু আটকে থাকলেও তিস্তা পাড়ের ৫ জেলার ৪২ ইউনিয়নের উপর্যুপরি ভাঙন ও বন্যা বসে নেই। ভাঙনে প্রতিবছর কমপক্ষে ৫০ হাজার মানুষ হচ্ছে উদবাস্তু। বিলীন হচ্ছে হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি।
তারা বলেন, খরাকালে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে হবে। তিস্তা খননের কাজ শুরু করতে হবে।
তারা আরও বলেন , তিস্তা চুক্তি ঝুলিয়ে রাখা চলবে না। তিস্তা মহাপরিকল্পনাও আটকে রাখা যাবে না। ঢাকা সহ দক্ষিণাঞ্চলে ৩ লক্ষ কোটি টাকার মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হলেও রংপুর বিভাগের বরাদ্দ শুণ্য। এ বৈষম্য আমরা মানি না।
বক্তারা তিস্তা চুক্তি সই,বিজ্ঞানসম্মতভাবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান।
