নয়া খবর ডেস্ক:
কুড়িগ্রামের কচাকাটায় সংরক্ষিত মহিলা আসনের এক প্রার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আগামী ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নাগেশ্বরী উপজেলার ১৫ নং কচাকাটা ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড থেকে বক প্রতীকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন মেনেকা বগম নামের ওই প্রার্থী। এরই মধ্যে শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভাত খাওয়ার সময় হৃদযন্ত্রের ক্রিড়া বন্ধ হয়ে মারা যায় মেনেকা বেগম।
মৃতের স্বামী গোলাপ উদ্দিন জানায়, প্রতিদিনের মতো আজও সকালের খাওয়া-দাওয়া শেষে স্বামী স্ত্রী দুজনেই নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার কথা ছিল তাদের। সকালের রান্না শেষে তাকে বাহির আঙ্গিনায় খেতে দিয়ে সংসারের অন্য কাজ শেষ করছিলেন মেনেকা বেগম। এরইমধ্যে তার খাওয়া হয়ে গেলে তার বসার আসনেই খেতে বসে মেনেকা। তিনি খাওয়া শেষে পানের চুন আনতে ঘরে ঢুকে বের হয়ে দেখেন ভাতের প্লেটের পাশেই মাটিতে লুটিয়ে পরেছেন মেনেকা। তিনি ভেবেছিলেন গলায় ভাত আটকিয়ে হয়তো দম বন্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে গেছেন মেনেকা। এটা ভেবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে দম ফেরানোর জন্য তার বুকে পিঠে গলায় মালিশ করতে থাকেন। কিন্তু ততক্ষণে তাকে ফাঁকি দিয়ে তাকে ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেছে মেনেকা বেগম। স্থানীয়দের ধারণা গলায় ভাত আটকে তার মৃত্যু গতে পারে। অপরদিকে তার স্বামী গোলাপ উদ্দিন ধারণা করছেন নির্বাচন কেন্দ্রিক টেনশনে তার মৃত্যু হয়েছে।
উল্লেখ্য কচাকাটা ইউপি নির্বাচনে ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে মহিলা সংরক্ষিত আসনে মেনেকা বেগম ছাড়াও মাইক প্রতীক নিয়ে মোছা. আছিয়া বেগম, কলম প্রতীকে নুরুন্নাহার বেগম, তালগাছ প্রতীকে মোছা. লাকি বেগম ও হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে মোছা. রহিমা বেগমসহ মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্ব›দ্বীতা করছেন। তার এ মৃত্যুতে কচাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রভাব পড়বে কি না জানতে চাইলে নাগেশ্বরী নির্বাচন অফিসার আনোয়ার হোসেন বলেন, ইউপি নির্বাচন বিধি বিশেষ ‘চার’ অনুযায়ী, ভোট গ্রহনের পূর্বে সংরক্ষিত আসনে সদস্য এবং সাধারণ আসনে সদস্য পদে মনোনীত বৈধ কোনো প্রার্থীর মৃত্যু হলে ভোট গ্রহন অবশিষ্ট প্রার্থীগণের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকবে।
