স্টাফ রির্পোটার:
স্বামী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নির্যাতনের পর খাদিজাকে হত্যা করেছে। হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেফতার ও দ্রুত বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার। খাদিজা রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার খামার হরিপুর গ্রামের হাফিজার মন্ডলের মেয়ে। খবর: একাত্তর বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম।
মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর সিটি প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে খাদিজার বোন মরিয়ম বেগম-বলেন-২০১২সালে ইসলামী শরানুযায়ী পীরগঞ্জ উপজেলার ছোট মির্জাপুর তেলি পাড়া গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে আতিকুর রহমানের সাথে বিবাহ দেওয়া হয়। এতে আতিকুরের ঔরশে খাদিজা বেগমের গর্ভে ২টি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহণ করে। সন্তানরা হলেন-আব্দুল্লাহ(৩বছর) ও ইসরাফিল ইসলাম জারিফ(৩মাস)।
বিবাহের পর থেকে বোনজামাই সহ তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ী, ননদ,জা ও দেবর প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানুষিক ভাবে নির্যাতন করে আসতো। সেই সাথে টাকা,গহনা ও ঘরের আসবাবপত্র চাইতো।
এছাড়া কোনো না কোনো একদিন খুন করে লাশ গুম করবে বলে প্রায় হুমকি দিতো। এ বিষয়ে একাধিক বার গ্রাম্য বিচার শালিসও হয়েছে।

১৫জুলাই দুপুরে খবর আসে যে তাঁর বোন খাদিজাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এমন কী তাঁর স্বামীর বাড়ির লোকজনও খাদিজা কে খুঁজছে না।
পরদিন১৬ জুলাই বোন জামাইয়ের বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে এলাকাবাসী বোনের ভাসমান লাশ উদ্ধার করে। এসময় লাশের নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল। সেই সাথে ঘার এদিক ওদিক ঘুরছিলো।
এঘটনায় পীরগঞ্জ থানায় আতিকুর সহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে মামলা রুজু হলে পুলিশ আতিকুর কে গ্রেফতার পূর্বক জেল হাজতে পাঠায়।
এদিকে, আতিকুরের পরিবারের লোকজন মামলা তুলে নিতে একটি প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় হুমকী দিয়ে আসছে। নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে একটি জিডি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের দাবী, ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত সকল আসামিকে গ্রেফতার করা হোক। সেই সাথে হত্যার বিচার দ্রুত কার্যকর করা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে নিহত খাদিার বাবা, খালা, ভাই ও এলাকাবাসীর কয়েজন উপস্থিত ছিল। সম্পাদনা- মোস্তাফিজার বাবলু ।
