পুনম শাহরীয়ার ঋতু:
মহামারী করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় লকডাউনে শ্রবজীাব কর্মহীন ও হতদরিদ্র অসহায় গরিবদের মাঝে পোষাক ও অর্থ সহায়তা করেন ডিএমপির ডিবি পুলিশ নয়ন কুমার দাস।
রাজধানীর মতিঝিলে পল্টন এলাকায় ডিএমপি (ডিবি পুলিশ) নয়ন কুমার দাস তার নিজ অর্থায়নে গরিবদের মাঝে ঈদ ও নগদ অর্থ সহয়তা করতে দেখা যায়।
ঈদ উপহার ও সহায়তা সামগ্রীর মদ্যে ছিল নগদ অর্থ, শাড়ি, লুঙ্গি। নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ, কর্মহীন, অচল, অসহায় মানুষদের মাঝে এ সকল ঈদ ও অর্থ সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ডিবি পুলিশদের মধ্যে তিনিই প্রথম যিনি নিজ অর্থায়নে এরকম অসহায় মানুষের পাশে এস দাঁড়িয়েছেন। বাড়িয়ে দিয়েছেন সহায্য সহযোগীতার হাত।
যদিও করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিভাগ ও সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন উদ্যোগ। বিশেষ ব্যবস্থায় সম্প্রতি খেটে-খাওয়া কিছু মানুষ কর্মে ফিরলেও করোনায় ছুটি আর লকডাউনের কারনে দীর্ঘসময় ধরে কাজ-কর্ম বন্ধ রয়েছে অনেকেরই।
নানান উদ্যোগের কারণে আবাসস্থল থাকা কর্মহীন অসহায় ও দুস্থ পরিবারগুলো মোটামুটি তাদের দিন পার করলেও ভাসমান মানুষগুলোকে করোনার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুধার সঙ্গেও যুদ্ধ করতে হচ্ছে।

আর এমন বাস্তবতায় করোনা মোকাবিলার সঙ্গে সঙ্গে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন পুলিশের এই সদস্য।
ডিএমপির ডিবি পুলিশ নয়ন কুমার দাস তার কর্মক্ষেত্রে যেমন দায়িত্ববান, আর্তমানবতার সেবায় তেমনি উদার মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।
নয়ন কুমার দাস বলেন, যতদিন এই করোনা থাকবে ততদিন আমি অসহায় মানুষের পাশে থাকব। আমার নিজের বেতনের টাকা দিয়ে আমি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমার স্বপ্ন। এমন কাজ আমার ভাললাগে।
ছিন্নমূল শিশু, নারী, পুরুষসহ দুস্থ ব্যক্তিদের জন্য তার এ উদ্যোগ প্রশংশনীয় ও অনুকরনীয়।তার এ উদ্যোগের হাত ধরে ভাসমান অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগটা শুরু হলো। এভাবে অনকেই হৃদয়বান নয়ন কুমার দাসের মতো করে সাহায়্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে যুক্ত হতে পারেন মহতী এমন সকল কার্যক্রমে।
