নিউজ ডেস্কঃ
করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত ২৬ মার্চ থেকে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৩১ দিনের ছুটি চলছে দেশে। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা।
এক দিকে ক্ষুধার যন্ত্রণায় ঘরে থাকতে পারছেন রিকশা চালকেরা। আবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নামলেই পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। উল্টে রাখা হচ্ছে রিকশা, দেওয়া হচ্ছে শাস্তি। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাই বেশ বিপদেই আছেন নিম্ন আয়ের এসব মানুষ।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরের ১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় দেখা যায় উল্টে রাখা হয়েছে বেশ কিছু রিকশা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রিকশাচালক কবির বলেন, খিদায় টিকতে না পাইরা রাস্তায় রিকশা নিয়ে বের হইছি। আগে আমি একটা হোটেলে কাজ করতাম। এখন হোটেল বন্ধ। সব কিছুই বন্ধ। এ কারণেই রিকশা নিয়ে রাস্তায় বের হইছি। কিন্তু আমাগো রিকশা আটকায়া রাখছে পুলিশ। ঘরে বউ-বাচ্চা সবাই না খায়া আছে। খাওন তো লাগবে। না খাইতে পারলে বাঁচমু কীভাবে?
আরেক রিকশা চালক মিজান বলেন, আমরা সাহায্য বা ত্রাণ কারো কাছ থেকে পাইনি। যদি সাহায্য পেতাম তাহলে কি রাস্তায় আমরা এভাবে বের হতাম? আমার ঘরে ছোট্ট একটা বাচ্চা মেয়ে। মেয়েটারে খাওয়ানোর দুধ নাই। দুধ কেনার জন্য রিকশা নিয়ে রাস্তায় বের হয়েছি। সকাল আটটা থেকে আমাদের রিকশা আটকে রাখা হইছে।
কাফরুল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ রয়েছে, সেগুলো সবাইকে মানতে হবে। আমরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য মূলত রিকশা আটকাচ্ছি।
নয়াখবর/হাসান/এস
