করোনাঝুঁকিতে মিঠাপুকুরের বিভিন্ন এলাকায় বসেছে হাট, বিপুল জনসমাগম

রাফিউল ইসলাম(রাব্বি),রংপুরঃ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সক্রিয় নয় রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ। সরকারি বিভিন্ন উদ্যোগের পর মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান জনশূন্য থাকলেও গ্রাম এলাকার বিভিন্ন বাজারে জনসমাগম না এড়িয়ে ভিড় জমিয়ে কেনাকাটা করছে মানুষ। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী নিয়মিত টহল এবং বিভিন্ন সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের পরও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না। প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এলাকায় একাধিকবার মাইকিং ও জনসচেতনতামূলক প্রচারণা অব্যাহত থাকলেও কেউ পাত্তা দিচ্ছে না। সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং প্রশাসনের লোকজন টহল দেওয়ার সময় রাস্তাঘাটে কেউ থাকে না। কিন্তু টহল শেষেই লোকজন আবারো নেমে আসছে রাস্তায়। জমায়েত হয়ে আড্ডা দিতেও দেখা গেছে তাদের।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে মিঠাপুকুরের ১৭ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের সকল সাপ্তাহিক হাটগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া বাকি সব দোকান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকাসহ হাট বাজারে জনপ্রতিনিধিদের করোনাভাইরাস মোকাবিলায় প্রচার চালানোর কথা থাকলেও তারা তা করছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেই সুযোগে কোন কোন এলাকায় ব্যাপক লোকসমাগম ঘটিয়ে হাট বাজার বসছে বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।

উপজেলার – মাদারপুর মাঠেরহাট, আখিরাহাট সহ গ্রাম অঞ্চলের অনেক হাটবাজারে ভিড় জমিয়ে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে লোকজনদের।বিশেষ করে মাদাপুর মাঠেরহাট এলাকায় বাঁশহাটি লাগিয়ে বিপুল জনসমাগম তৈরি করা হচ্ছে।এছাড়াও বাজারের চায়ের দোকান গুলোতে ঝাপ নামিয়ে ভিতরে কৌশলে ব্যবসা পরিচালনা করছেন অনেকে। এ কারণে এলাকার মানুষের মধ্যে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে।

আর এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কোন সচেতনতামূলক কর্মকান্ড লক্ষ্য করা যায় নি। এমনকি তারাও এসব বাজারে ঘোরাফেরা করছে।

এ ব্যাপারে এলাকার সচেতন মানুষ দ্রুত স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নয়াখবর/হাসান/এস

Share Button