কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় বালুভর্তি ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে হাসানুর (৭) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত শিশুর পরিবারের সঙ্গে মাত্র এক লাখ টাকায় সমঝোতার অভিযোগ উঠেছে। শিশুর অকালমৃত্যুর পর অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসার খবরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ঝাঁকুয়াবাড়ি গ্রামের পাকা রাস্তার মাথায় আনুমানিক বিকাল ৫ ঘটিকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হাসানুর ওই গ্রামের আনিসুর রহমান ও হাসনা বেগমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে বালুভর্তি ট্রাক্টরের চাকা হাসানুরের শরীরের ওপর দিয়ে চলে গেলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাক্টরটির মালিক ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের পণ্ডিতপাড়া গ্রামের ফুলবর মিয়া বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এদিকে মাত্র সাত বছরের একটি শিশুর প্রাণহানির ঘটনায় পরিবারের সঙ্গে এক লাখ টাকায় সমঝোতার অভিযোগ উঠেছে। একটি শিশুর জীবনের মূল্য কি মাত্র এক লাখ টাকা—এমন প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়দের অনেকে। তবে সমঝোতার বিষয়টি জানতে শিশুটির ফুবা হাছিমুদ্দির সাথে কথা হলে তিনি বলেন ১ লক্ষ টাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সুরাহা করে দেন।
এ বিষয়ে ভিতরবন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন শফিউল আলম শফি বলেন আমি বিষয়টি জেনেছি পরে স্থানীয় লোকজন ১ লক্ষ টাকা সমাধান করেছে।
দূর্ঘটনার বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক প্রধান জানান ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতো।
সড়ক দূর্ঘটনায় শিশুটি মারা গেলেও মামলা না করে তরি ঘরি দাপন কার্য সম্পন্ন করে পরিবার।
হাসানুরের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার-পরিজনসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বালুভর্তি ট্রাক্টরের বেপরোয়া ও দ্রুতগতিতে চলাচল বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
