জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে কুড়িগ্রামে বিএনপির র‍্যালি ও সমাবেশ

জাফর আহমেদ, কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতা:

কুড়িগ্রামে (৭ নভেম্বর) শুক্রবার পৌরসভা সংলগ্ন জেলা বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ের সামনে ঈদগাহ মাঠে বিকাল ৪ ঘটিকায় জেলা বিএনপির আয়োজনে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করেছে। এই ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের করেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। বর্ণাঢ্য র‍্যালী টি কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ের সমন থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষীন করে পুরাতন পোস্ট অফিস পাড়ায় জাহাজ কোম্পানির মোড়ে শেষ হয় । সংক্ষিপ্ত সভা করেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি। উক্ত র‍্যালি ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ,প্রধান বক্তা–
২৬কুড়িগ্রাম ২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ সদস্য সচিব জেলা বিএনপি কুড়িগ্রাম,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শফিকুল ইসলাম বেবু সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জেলা বিএনপি কুড়িগ্রাম, জনাব মোঃ হাসিবুর রহমান হাসিব যুগ্ম আহবায়ক জেলা বিএনপি কুড়িগ্রাম, প্রমুখ। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি ইতিহাস তুলে ধরেন বক্তারা, বলেন ১৯৭৫ সালের এই দিনে সমগ্র জাতি যখন অনিশ্চয়তার সম্মুখীন, তখন সিপাহি-জনতার মিলিত বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়ে দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এনে সিপাহি-জনতা তাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে। তিনি ক্রান্তিময় সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে দেশে প্রবর্তন করেন বহুদলীয় গণতন্ত্র। সূচনা করেন উন্নয়ন ও উৎপাদনের নবধারার রাজনীতি। তাই ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনের এক অনন্য ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত দিন। সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনে বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে।বিশেষ করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪টি আসনেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিজয় করে আনার অঙ্গীকার করা হয়।

Share Button