বান্দরবানে ডুমুর ইকো রির্সোটে নাশকতার অগ্নিকান্ড বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন

মুহাম্মদ আলী, স্টাফ রিপোর্টার:

বান্দরবানের ডুমুর ইকো রিসোর্ট। আর এই রিসোর্টটি চালু হওয়ার আগেই গত ২রা জুলাই রাতে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আর এই ঘটনায় সর্বশান্ত হয় মালিক পক্ষ। এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হিসাবে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। এ সময় রিসোর্টটির এক মালিক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসেম চৌধুরী কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বান্দরবান জেলা শহরের একটি রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ডুমুর ইকো রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসেম চৌধুরী। এসময় অন্যদের মধ্যে বান্দরবান হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, ডুমুর ইকো রিসোর্টের অংশিদার বাবু মনি প্রমুখ। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন টিভি ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডুমুর ইকো রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসেম চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, গত ২রা জুলাই রাতে ডুমুর ইকো রিসোর্টে আগুনে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পুড়ে গেছে ৩টি কটেজ, নির্মাণাধীন রেষ্টুরেন্ট, রিসিপশন কক্ষ’সহ রিসোর্টের মূল্যবান মালামাল। বৃষ্টিতে নয়টার সময় অগ্নিকাণ্ডের

সূত্রপাত হয় কয়েকটি স্থানে। এটি দূর্ঘটনা নয়, রিসোর্টের

ক্ষতি সাধনের লক্ষে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, রিসোর্টের ব্যবসায়ীক পার্টনার এবং পার্শ্ববর্তী লোকজনরাও অগ্নিসংযোগের এ ঘটনাটি ঘটাতে পারে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবী জানাচ্ছি, নয়ত পাহাড়ে পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উদ্যোক্তারা পর্যটন শিল্পে

বিকাশে পাহাড়ে হোটেল, রিসোর্ট, রেষ্টুরেন্ট’সহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা বাণিজ্যে জড়াচ্ছে। কিন্তু ষড়যন্ত্র মূলক ঘটানো ঘটানার সুষ্ঠু বিচার না হলে এ শিল্প হুমকির মুখে পড়বে।

বান্দরবান হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ডুমুর ইকো রিসোর্টে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে এ ধরনের নাশকতাকারীদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছি। প্রসঙ্গত: গত ২রা জুলাই রাতে বান্দরবানের চিম্বুক নীলগিরি সড়কের মিলনছড়ি এলাকায় নির্মিত ডুমুর ইকো রিসোর্টে আগুনে পুড়ে গেছে ৩টি কটেজ, নির্মাণাধীন রেষ্টুরেন্ট, রিসিপশন কক্ষ’সহ রিসোর্টের মূল্যবান মালামাল। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দাবী করে ঘটনাটি তদন্তের জন্য বান্দরবান সদর থানায় একটি অভিযোগও দেয়া হয়।

Share Button