চিলমারীতে যাত্রী ছাউনির সংস্কার নিয়ে নানান আলোচনা

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে যাত্রীদের বিশ্রামাগার সংস্কার করে দোকান কিংবা অফিস কক্ষ তৈরি করার পায়তারা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে গতকাল থেকে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। তবে ঘাট ইজারাদারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রী ছাউনিটি সংস্কার করে যাত্রীদের থাকার জন্য উপযোগী করা হচ্ছে। সরেজমিন দেখা গেছে, চিলমারী নদীবন্দরের পথচারীদের জন্য তৈরি করা, বজরা দিয়ার খাতা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন যাত্রী ছাউনিটির মাঝে ইটের দেয়াল দিয়ে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যায় সম্মুখে ৮টি সাটার লাগানোর প্রক্রিয়া চলছে। জানা গেছে, যাত্রী ছাউনিটি প্রায় ৪ বছর আগে এলজিইডির অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে। সে সময় চিলমারী নদী বন্দর থেকে যাত্রী ছাউনিটি অনেকটা দুরে নির্মাণ করার কারণে, এটি অযন্ত আর অবহেলা পড়েছিল। সম্প্রতি এটি নতুন করে সংস্কার করা হচ্ছে। তবে সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় লেখালেখি সহ জনমনে অনেক প্রকার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ রোকুনুজ্জামান স্বপন এ নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় বিরুপ মন্তব্য করেছেন। ওই ইউপি সদস্য মুঠোফোনে সাংবাদিকদের জানান, ইজারাদাররা বে-আইনিভাবে এটি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। ঘাট ইজারাদারের পক্ষে মোঃ শহিদুল্লাহ কায়সার ইমু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যাত্রী ছাউনিটি সংস্কার করা নিয়ে জনমনে তথ্যবিভ্রাট চলছে। এটি দখল বা দোকান ঘর করার উদ্দেশ্য নয়। মুলত রৌমারী ও রাজিবপুর থেকে যাতায়াতকারী যাত্রীরা যারা রাতে বাড়ি ফিরতে পারেন না, তাদের জন্য রাতে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বসার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাফিউল আলম বলেন, বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে কথা হয়েছে। তিনি এটি ভেঙ্গে দিতে বলেছেন বলে জানান তিনি।

Share Button