হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে উপজেলার ৫ ইউনিয়নে ভােটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৬ষ্ঠ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার ইউনিয়ন গুলোতে প্রথম বারের মতাে ইলেকট্রনিক ভােটিং মেশিন(ইভিএম) ভােটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম বারের মতাে রাণীগঞ্জ,থানাহাট,রমনা,চিলমারী ও অষ্টমীরচর ইউনিয়নে ইভিএম-এ ভােটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ জন্য ইভিএম-এ ভােট প্রদানের প্রশিক্ষণ হিসাবে ৫ ইউনিয়নে ৫১টি কেন্দ্রে শনিবার সকাল ১০টা থেকে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। ভােট দান প্রশিক্ষণে বা মক ভােটিং কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এ কার্যক্রমে ভােটারদের মাঝে তেমন সাড়া মেলনি।
জানা গেছে,আগামী ৩১জানুয়ারী সােমবার ৬ষ্ঠ দফায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপজলায় মােট ৫টি ইউনিয়নর ৫১টি কেন্দ্রে ভােট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারেই প্রথম কেন্দ্রে গুলো ইলেকট্রনিক ভােটিং মেশিন(ইভিএম)এ ভােট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
সাধারন ভােটারদের ইভিএম-এ ভােটদানে সহজ করতে নির্বাচন কমিশন থেকে ভােট প্রদান প্রশিক্ষণে বা মক ভােটিং এর আয়াজন করা হলে ও ভােটারদের তেমন কোন সাড়া মেলেনি। শনিবার উপজলার বিভিন কেন্দ্রে ঘুরে কেন্দ্রে গুলোতে মক ভােট প্রদানে ভােটারদের তেমন উপস্থিতি লক্ষ করা যায়নি। বেলা ৩ টায় উপজলার থানাহাট ২নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ওই কেন্দ্রের বারাদায় দুটি ইভিএম মেশিন বসানা হলে ও তেমন ভােটার উপস্থিতি ছিলো না। ওই কেন্দ্রে মােট ভাটারের সংখ্যা ১হাজার ৯৫১জন। এর মধ্যে সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত মক ভোটিং-এ অংশ নিয়েছে মাত্র ১২জন ভােটার। থানাহাট ১নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১হাজার ৮৮৫ ভোটারের মধ্যে মক ভােট পড়েছে ১০০টি। পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মক ভােটিং-এ অংশ নিতে আসা সবুজপাড়া এলাকার নারী সফুলা বেগম বলেন, তিনি কখনাে ইভিএম মেশিন সরাসরি চোখে দেখেন নি। তাই নতুন এই পদ্ধতিতে ভােটদান নিয়ে সমস্যায় ছিলেন তিনি। প্রতিবেশীর কাছে শুনে তিনি এসেছেন এ সম্পর্কে ধারণা নিতে। মক ভোটিং-এ অংশ নেওয়ার পর তিনি জানান,এই ভােটদান প্রক্রিয়াটি সহজ এবং ভালাে মনে হচ্ছে । খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দেয়া যাচ্ছে ভােট। তিনি বলেন, এ বিষয় আর ও বেশি প্রচার-প্রচারণা হলে উপস্থিতর সংখ্যা বাড়তো।
এলাকার ভােটাররা জানান, তেমন কােনাে প্রচার-প্রচারণা না করায় অনেকেই জানেন না শনিবার এই মক ভোটিং সম্পর্কে। অনেকেই অন্যের কাছে শুনে গিয়েছেন। কােন মাইকিং তারা শুনেনি বলে জানান।
এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম সদর উপজলা নির্বাচন অফিসার ও থানাহাট এবং রমনা ইউনিয়নের রিটার্নিং অফিসার হাওলাদার মােঃ কামরুল হাসান বলেন, আগে থেকেই চিলমারী উপজলার বিভিন্ন এলাকায় মক ভোটিং সম্পর্কে মাইকিং করা হয়েছে।
