নিউজ ডেস্কঃ
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের পূর্ব ধনসড়া শাহী জামে মসজিদের সংস্কার অর্থ আত্মসাৎ শিরোনামে অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় গত ২৩ শে এপ্রিল/২০২০ প্রকাশিত সংবাদে তুষভন্ডার সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সাবেক পিয়ন আব্দুস সামাদ ( শাহীন) এর অর্থ আত্বসাৎদের সংবাদ টি সম্পুর্ন মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও মানহানী কর।
জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জের হিসাবে তঁাহার ছোটভাই সামসুল ইসলাম বড়ভাই শাহিনের বিরুদ্ধে এ অভিয়োগ দায়ের করেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তি আব্দুস সামাদ শাহীন উক্ত মসজিদের কমিটির কেউ নন। তিনি কমিটির দেয়া দায়িত্ব পালন করেছেন মাত্র।
এ বিষয়ে আব্দুস সামাদ (শাহীন) বলেন, উক্ত মসজিদটি প্রতিষ্ঠায় আমি উদ্যোগদাতা। আর ব্যক্তিগতভাবে যথেষ্ট অনুদান প্রদান করেছি। বর্তমান অভিযোগটি সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। সমাজে আমাকে হেয় করতেই এ সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমার পারিবারিক কলহের জের হিসাবে এ কাজ করা হয়েছে। এমনকি আমার নিজ নামীয় জমিতে শ্রমিকদের কাজ কর্ম করতে বাধা প্রদান করেন আমার সহোদর ছোটভাই সামসুল ইসলাম ও তার লোকজন। আমার ক্ষেতের ফসল কাটতে দিবে না মর্মে হুমকি প্রদান করে।
এ ঘটনায় এলাকার দুজন স্থানীয় কৃষক আব্দুল বারী ও নুর আলম বলেন,আমাদেরকে সামসুল শাহীনের নিজ নামীয় জমিতে কাজকর্ম করতে দেয় না। কাজ করতে গেলে হুমকী প্রদান করে বলেন, শাহীনের আবাদকৃত সকল ফসলি জমির ফসল সে কেটে নিয়ে যাবে। শাহীনকে জমিতে নামতে দিবে না।
মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বলেন, আমি উক্ত মসজিদের সম্পাদক। বরাদ্দের টাকা কমিটির লোকজন উত্তোলন করে। এবং মসজিদের উন্নয়ন কল্পে কাজ করা হয়েছে। অবশিষ্ট টাকা পরবর্তী কাজের জন্য মসজিদের একাউন্ট এ জমা রয়েছে বলে জানান তিনি। প্রকাশিত সংবাদটি অনাকাংখিত। এবং দু’ ভাইয়ের পারিবারিক কলহের জের মাত্র।
সভাপতি জোনাব আলী বলেন, উক্ত সংবাদ সম্পুর্ন মিথ্যা। বরাদ্দের টাকার কাজ হয়েছে।
মসজিদের মুসল্লীদের দাবী, পারিবারিক কলহের জের হিসাবে মসজিদকে ঘিরে আব্দুস সামাদ( শাহীন) এর নামে মিথ্যা মানহানীকর সংবাদ প্রকাশ দুঃখজনক। তিনি টাকা আত্বসাৎ করবেন কোন অধিকারে। কারন তিনি এ মসজিদ কমিটির কেউ নন। তিনি তো টাকা উত্তোলন করতে পারেন না। কমিটি টাকা উত্তোলন করেন। আর এ কাজের হিসাবও কমিটি দিয়েছেন বলে জানান তারা।
নয়াখাবর/হাসান/এস
