রুবেল সিদ্দিকী:
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সাইফুর রহমান সরকারি কলেজের ২০২০-২১ সেশনের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী মিঠু মিয়া (১৮) দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গু হতে বসেছে।
দুই পা সরু ও দুর্বল হয়ে যাওয়ায় সে এখন দাঁড়াতে বা হাটতে পারে না।
সে উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের বড়লই গ্রামের দিনমজুর ফজলুল হক ও মমতাজ বেগমের একমাত্র ছেলে।
সরেজমিন গিয়ে দেখাগেছে, পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া ২ শতক জমিতে ফজলুল হকের ভাঙ্গাচোড়া বাড়ি।
৫ শতক আবাদি জমি ছিল তাও বিক্রি করেছেন একমাত্র ছেলের চিকিৎসার জন্য। এখন দিনমজুরী করে কোনরকমে সংসার চলে।
এলাকাবাসী ও আত্মীয়দের সহায়তায় প্রায় ৪ লক্ষ টাকা খরচ করে ছেলের চিকিৎসা করেছেন কিন্তু সে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
ডাক্তার পরামর্শ দিয়েছে দ্রুত ভারতে নিয়ে যেতে। এতে প্রায় দশ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।
তাই দিশেহারা হয়ে পড়েছে মিঠুর পরিবারট। মিঠু মিয়া জানায়,
এ বছর রমজান মাসে তার পায়ে ব্যাথা হলে স্থানীয় ডাক্তারের পরামর্শে সে ঔশধ খায়।
৩/৪ দিন পর পা দুর্বল হলে ঢাকার সিআরপি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেয় ।
ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী অষুধ খেলেও কোন উন্নতি হয় নি
এরপর রংপুরে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ মাহফুজার রহমান এবং ঢাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সাইন্স হাসপাতালে ভর্তি হয়।
সেখানে ১৭ দিন চিকিৎসা নেয়ার পর ডাক্তার রিলিজ দেয়। ওই হাসপাতালের ডাক্তার জানায়
তার জিবিএস রোগ হয়েছে।
তারা অতি দ্রুত ভারতে চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পরামর্শ দেয়।
মিঠু মিয়ার মা মমতাজ বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন,
আমার সহায় সম্বল বলতে কিছুই নাই। একমাত্র ছেলেটিও পঙ্গু হতে বসেছে। আমার ছেলের চিকিৎসা ও সুস্থতার জন্য সমাজের সকলের কাছে আর্থিক সহায়তা এবং দোয়া চাই।
আর্থিক সাহায্যের জন্য মিঠু মিয়ার ব্যক্তিগত বিকাশ ও যোগাযোগ নম্বর ০১৮৭৭৮৪৩২২৪
এই নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হইল।
