ইতুমনিকে বাঁচাতে মা-বাবার আকুতি

নয়া খবর ডেস্ক:

‘মারিতে চাই না আমি সুন্দর ভুবনে মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই’… লালমনিরহাট জেলা সদর সাখোয়া বালাবাড়ি গ্রামে বাবা রাজমিস্ত্রী, মা শিউলী বেগমের অস্ত্র পাচারে মাধ্যমে কুড়িগ্রাম সেন্টাল ক্লিনিকে কোল জুড়ে আলোকিত করতে পৃথিবীতে আসে নাড়িছেঁড়া ধন ইতুমনি(১৩ মাস) পৃথিবীর আলো দেখতে চোখে পড়ে তার মেরুদণ্ডে একটি ফোড়া আকৃতির মাংস পিন্ড। সেটাই কাল হলো তার সুন্দর পৃথিবীতে আসা। কয়েক দিনে বিকটা আকৃতি ধারণ করে এবং আড়াই মাসেই তা ফেটে যায়। মাথায় পানি জমে দেহের চেয়ে মাথার ওজন বেড়েছে।
বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েও মিলছে না তার প্রতিকার এছাড়াও কুড়িগ্রাম সেন্টাল ক্লিনিক, ইসলামি ব্যাংক হাসপাতাল, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৮ নং ওয়ার্ডে শিশু সার্জারী বিভাগে ৮(আট)মাস যাবৎ চিকিৎসা নেন। তাতে কোন উন্নতি হয়নি তাই অসহায় বাবা মেয়ে ও মাকে সহ তার নানার বাড়ি কুড়িগ্রাম সদর কাঁঠাল বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। তিনিও অতিদরিদ্র দিনমজুর ও স্ত্রী এনজিও আশা কর্মীদের রান্নার কাজ করেন। ইতুৃমনির নানী জানান আমার জামাই বড় সাধাসিধা মানুষ আয় উন্নতি নাই কি করি ভলো হবে।
এতে দিনমজুর বাবার সয়সম্বল হারিয়ে পথে বসে গেছে। জমাজমি নেই আছে শুধু মাথাগোঁজার এক টুকরো জমি। মেয়ে কে বাঁচাতে সেই অংশ বিক্রি করে দেবেন বলে জানিয়েছেন। হতাশ বাবা ও মায়ের আকুতি তাকে সুস্থ হওয়ার জন্য বিভিন্ন সংস্থা ও সরকারের কাছে কাতর আর্জি জানিয়েছেন। # যোগাযোগ/ বিকাশ ০১৭৭৩২৫০১০৭ (মা/ নানী)

Share Button